তিনি একজন সুফিসাধক ছিলেন। আঠারবাড়ীর জমিদার প্রবুদ চন্দ্র রায় তাহাকে ১ একর ৪০ শতাংশ জমি নাকিরাজ করে দান করে দেন। তিনি এখানেই আস্তানা গাড়েন এবং এখানেই তার জীবনের শেষ অবশান ঘটে। বর্তমানে এখানে একটি মাজার ও একটি মাদ্রাসা আছে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস